Pages Menu
TwitterRssFacebook

Most recent posts

Khutbah: Ikhlaas

Posted on Oct 17, 2014 | 1 comment

Ikhlaas is the foundation of any Ibaadah. In fact it is the thing that determines either the act is worldly or it is religious, and based on that the act is either rewarding or a cause of sin. It is mentioned that there will be scholars, martyrs and other apparent pious people, who’d be put in hell just because their intention wasn’t pure. This Khutbah digs deeper into the issue and tries to clarify all about ikhlaas. Date: 17th Oct 2014 Place: INCEIF -The Global University of Islamic Finance, Kuala Lumpur, Malaysia     Share this:TweetMorePocketShare on...

প্রসঙ্গ হজ্জ্বের বিরোধিতার অসারতা

Posted on Sep 30, 2014 | 0 comments

কেউ হজ্জ্বের বিরোধিতা করবে, এটা তার ব্যাপার; সে মুসলিম না কাফের – সে আলোচনায় গেলাম না। কিন্তু এর কারণ হিসেবে যা বলা হলো, তা চূড়ান্ত অজ্ঞতা প্রকাশ ছাড়া কিছুই না। প্রথমত, হজ্জ্ব রাসূল স. -র যুগ থেকে শুরু হয় নি, ইবরাহীম আ. -র যুগ থেকেই নিয়মিত হজ্জ্ব চলছে। জাহেলী যুগেই হজ্জ্বকে কেন্দ্র করে হাজারো মানুষের আয় রোজগার চলত। তৎকালীন যুগে হজ্জ্ব কেবল ইবাদত ছিল না, বরং হজ্জ্ব ছিল পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তের অর্থনীতির যোগসূত্র। আগের স্ট্যাটাসে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। [দেখুন: http://yousufsultan.com/economic-impact-of-hajj/] জাহেলী যুগে হজ্জ্বের মৌসুমে উকায, যুল মাজাযসহ নানা বাজার বা মেলা বসত। প্রচুর ক্রয়-বিক্রয় হত সেখানে। বলতে গেলে সতের শতাব্দীর আগে এ যোগসূত্রে ইউরোপ আসতে পারে নি। হজ্জ্ব ছিল বিশ্ব-মিডিয়া। কোনো বিষয় পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হজ্জ্ব ছিল অনন্য। এজন্যই মুশরিকরা হজ্জ্বের মৌসুমে রাসূলের স. বিরুদ্ধে নানা কথা ছড়ানোর চেষ্টা করত, অনেকটা বর্তমানে প্রভাবশালীদের মিডিয়া দখলের ন্যায়। অবশ্য মুসলিমরাও হজ্জ্বের মৌসুমকেই ইসলাম প্রচারের বড় মিডিয়া হিসেবে গ্রহণ করে। মদীনার প্রথম দিকের মুসলিমবৃন্দ হজ্জ্বের সময়ই রাসূলের স. সাথে সাক্ষাৎ করেন। তাদের আগ্রহ-আপ্যায়নেই রাসূল স. মদীনার প্রতি ভালবাসা অনুভব করেন। দ্বিতীয়ত, আরবরা ডাকাত ছিল না। নানা রকম অশালীন কর্মকাণ্ড ক্ষেত্রবিশেষে ছিল, তবে ডাকাতি ছিল না। আরবরা পরিশ্রমী ছিল, জন্মগতভাবে ব্যবসায়ী ছিল। রিহলাতাশ শিতা’ ওয়াস সাইফ – গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন দুটো বড় ব্যবসায়িক যাত্রা ছিল তাদের। এটা রাসূলে আরাবী স. আসার পর থেকে নয়, শত শত বছর আগে থেকেই। তৃতীয়ত, হজ্জ্ব কেন্দ্রিক এ অর্থনীতি শুধু আগে ছিল, বর্তমানে নেই, এমনটা নয়। সাউদীর কথা বাদ দিলাম, আমাদের বাংলাদেশ নিয়ে বলি। শুধু বিমান বাংলাদেশই গত ২০১২ তে হজ্জ্ব ফ্লাইট পরিচালনা করে ৮০ কোটি টাকা লাভ করে, যা সারা বছর লোকসানে থাকা বিমানের জন্য অনেক কিছু। [দেখুন: http://www.thefinancialexpress-bd.com/old/index.php?ref=MjBfMTJfMDlfMTJfMV8xXzE1MjYyOA==] হজ্জ্বকে কেন্দ্র করে লাখো...

হজ্জ্বের অর্থনৈতিক ভূমিকা

Posted on Sep 28, 2014 | 0 comments

হজ্জ্ব ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। অফুরান সাওয়াব লাভের ইবাদত হজ্জ্ব। ইবাদত ছাড়াও অর্থনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে হজ্জ্বের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ১. সেই সপ্তম শতাব্দী থেকে প্রায় হাজার বছর ধরে হজ্জ্বকে কেন্দ্র করে মুসলিমরা ভূমধ্যসাগর ও ভারত মহাসাগর কেন্দ্রিক অর্থনীতির মাঝে লিংক বজায় রেখেছিল। যা পশ্চিমারা ধরতে পেরেছে হাজার বছর পর। ভারত মহাসাগর দিয়ে এদিক থেকে যেত মরিচ, মশলা ইত্যাদি। ওদিক থেকে আসত তুলা ও অন্যান্য জিনিস। এভাবে বিশ্বঅর্থনীতির নেটওয়ার্ক ছিল হজ্জ্ব। ২. হজ্জ্ব মূলত পৃথিবীর চতুর্দিক থেকে লাখ লাখ মুসলিমকে সমবেত করে। আর হজ্জ্বের সময় ব্যবসা হালাল। এবং তা বর্ণনার জন্য বিশেষভাবে আল্লাহ তায়ালা আয়াত নাজিল করেন। ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, জাহেলী যুগে উকায, মিজান্না, জুল মাজায বাজারে এবং মিনায় ও আরাফায় ব্যবসা চলত। ইসলাম আসার পর ইহরাম বেধে ব্যবসা করার ব্যাপারে গোনাহের শঙ্কা হয়। আল্লাহ তায়ালা নাজিল করেন, لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُوا فَضْلًا مِّن رَّبِّكُمْ “তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করতে কোন পাপ নেই” (২:১৯৮) – অর্থাৎ হজ্জ্বের মওসুমে। [বুখারী: ২০৫২; আবু দাউদ: ১৭৩৪] ৩. হজ্জ্ব তাদের ওপরই ফরয যাদের এর সামর্থ্য আছে। কাজেই এতে আর্থিক সামর্থ্য অর্জন, পুঁজি সংগ্রহের (অবশ্যই বৈধ উপায়ে) বৈধতা ও উৎসাহ রয়েছে। وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا [৩:৯৭] (ইমাম গাজ্জালী রহ. এর ভিত্তিতে ইসলামে পুঁজি সংগ্রহের উৎসাহ দানের ব্যাপারটি গুরুত্ব দেন।) ৪. খ্রিস্টানদের পিলগ্রিমিজের একাধিক কেন্দ্র রয়েছে। মুসলিমদের একটিই। খ্রিস্টানদের মধ্যযুগীয় নানা মেলা ছিল। তন্মধ্যে উত্তর ফ্রান্সে আয়োজিত শ্যাম্পেন অন্যতম বৃহৎ। অথচ হজ্জ্বে যেখানে নূন্যতম সত্তর হাজার থেকে দুই মিলিয়ন লোক হত, সেখানে এ মেলার উপস্থিতির সংখ্যা ছিল নিতান্তই কম। তদুপরি এখানে উপস্থিত হত বেশির ভাগ ইটালিয়ান ও ফ্লেমিশ ব্যবসায়ী। অথচ হজ্জ্বে আগমন ঘটত পুরো বিশ্বের ব্যবসায়ীদের। ৫. হজ্জ্বের মৌসুমে মুসলিমদের অবস্থান থাকত হেরেমের...

প্রসঙ্গ নবীজীর স. দেহ মোবারক সরানোর সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত নিউজ

Posted on Sep 3, 2014 | 0 comments

ব্রিটেনভিত্তিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ডেইলি মেইল, ও টেলিগ্রাফের বরাত দিয়ে গতকাল সারাদিন নিউজফিডে এরকম একটি নিউজ শেয়ার করতে দেখলাম যে, মসজিদে নববী থেকে নবীজীর স. দেহ মোবারক সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অনলাইন পোর্টালগুলোও নিউজটাকে হটকেক হিসেবে নিয়ে নিল। এ সম্পর্কে আরবীতে খুঁজতে গিয়ে এই লিংকটি পেলাম:http://www.almasryalyoum.com/news/details/514359 – এতেও ইংরেজি পত্রিকাগুলোর ন্যায় শিরোনাম করা হয়েছে। তবে ভেতরে পড়তে গিয়ে জানতে পারলাম ড. আলী বিন আব্দুল আযীযের “عمارة مسجد النبي عليه السلام ودخول الحجرات فيه دراسة عقدية” শীর্ষক গবেষণার সূত্রে তারা এ কথাগুলো বলছেন। আরবী গবেষণার শিরোনামটি সার্চ করতেই গবেষণাটি মাজমা’য়াহ ইউনিভার্সিটির সাইটে পাওয়া গেল, যেখানে সম্ভবত তিনি ফ্যাকাল্টি। http://faculty.mu.edu.sa/download.php?fid=77545 আরবী নিউজটিতে এখান থেকে বেশ কিছু কোটেশন আনা হয়েছে। এতে নিশ্চিত হলাম, ডকুমেন্ট এটাই, যা নিয়ে কথা হচ্ছে। প্রথম কথা হলো, এটা মূলত মসজিদে নববীর সম্প্রসারণ ও সংস্কারের ইতিহাস, বিশেষ করে আম্মাজান আয়েশা রা. এর হুজরাসহ (যেখানে নবীজী স. শায়িত) অন্যান্য হুজরাকে মসজিদে অন্তর্ভুক্তিকরণের ইতিহাস, এবং শেষে ওনার কিছু প্রস্তাবনা। এটা মোটেও কোনো সিদ্ধান্ত নয়। গবেষণাটা ও শেষের প্রস্তাবনাগুলো সময় নিয়ে পড়লাম। ইতিহাসটা জেনে খুব ভালো লাগল, তবে সংস্কারের বিষয়গুলো আসলেই খুব কষ্ট দিল। শেষে ওনার প্রস্তাবনাগুলোও খুব চমৎকার। এখানে রাসূল স. এর দেহ মোবারক সরানোর বিন্দুমাত্র কথাও নেই। অথচ এটাকেই শিরোনাম করছে সবাই। গবেষণাটি পড়লে স্পষ্ট বুঝা যায়, তিনি ইতিহাসের নিরিখে মসজিদে নববীর সংস্কার ও বিবর্তন তুলে ধরেছেন। যুগে যুগে নানা আমীর-সুলতানের আমলে নানা নতুন বিষয় সংযোজনের কথা তুলে ধরেছেন। এর শুরু প্রথম শতাব্দীর শেষ দিকে উমাউয়ী খলীফা ওয়ালীদ বিন আব্দুল মালিকের মাধ্যমে। তিনিই প্রথম আম্মাজান আয়েশা রা. এঁর হুজরা (যেখানে রাসূল স. এঁর কবর) ও অন্যান্য হুজরাকে মসজিদে নববীর অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন, যা খলীফা ওমর রা. ও উসমান রা. কেউই করেন নি। ওনাদের সময় মসজিদের অন্য তিন পাশ দিয়ে...

অশ্রুসিক্ত ঈদ মোবারক

Posted on Jul 28, 2014 | 0 comments

গাজার ছবিগুলো যাদের ফেইসবুক-ওয়ালে ঘুরছে, ঈদের দিন পরিবারের প্রিয়জনের কবরের ওপর অন্য সদস্যদের বুকফাটা কান্নার চিত্র যে দেখছে, ভাঙা মসজিদের ধ্বংসাবশেষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের নামায আদায়ের দৃশ্য যে দেখেছে, এবারের ঈদ তার জন্য নীরব কান্না বৈ কিছু নয়। এবারের ঈদ গাজায় আমাদের মা-বোনদের জন্য, গাজায় আমাদের সন্তানদের জন্য, শহীদ মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া ইনকিউবেটরে রাখা শিশু সায়েমা শেখ আল ঈদ -র জন্য। ঈদের বিকেলে রিফিউজি ক্যাম্পে বোমা বর্ষণে শহীদ সাত শিশুর জন্য। এবারের ঈদ হাজারো শহীদ ও আহত ভাই-বোন ও শিশুর জন্য। আসুন আমরা তাদের জন্য আজ সবাই মিলে দোয়া করি। আমাদের আনন্দের ভাগীদার যেন আল্লাহ তায়ালা শীঘ্রই তাদেরকে বানান, সে প্রার্থনা করি। আর এবারের ঈদে সকল প্রকার ইসরাইলী পণ্য বর্জন করি। একে অপরকে বর্জনের আহ্বান জানাই। এই ঈদ হোক মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ঈদ, দু:খ-কষ্ট বণ্টনের ঈদ। অশ্রুসিক্ত ঈদ মোবারক সবাইকে! Share this:TweetMorePocketShare on...

গাজা! আমরা লজ্জিত!

Posted on Jul 19, 2014 | 1 comment

গাজা! আমরা লজ্জিত! তোমরা যখন বাড়ি থেকে বের হওয়ার জন্য মাত্র পনের সেকেন্ডের ওয়ার্নিং পাচ্ছিলে, আমরা তখন আয়েশ করে বিশ্বকাপের খেলা দেখায় ব্যস্ত ছিলাম। আজ যখন তোমরা ওয়ার্নিং ছাড়াই শহীদ হচ্ছো, আমরা তখন শপিংয়ে ব্যস্ত। আমরা লজ্জিত! তোমরা যখন তিন মাসের সন্তানকে কাফনে জড়াচ্ছো, আমরা তখন সন্তানের তিন সেট ঈদের কাপড় কিনেও বসার সময় পাচ্ছি না, আরো কয়েকটা নিতে হবে, ঈদ চলে আসল বলে। তোমরা যখন সন্তানের বিধ্বস্ত মাথার খুলি রাস্তা থেকে কুড়িয়ে লাশটা ঠিক করছো, আমরা তখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছি, আর ঈদ নাটক-সিনেমার প্ল্যান করছি। আমরা লজ্জিত! তোমাদের সন্তানরা যখন ছাদে খেলতে গিয়ে, কিংবা সমুদ্র তীরে দৌড়াতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরে আসছে, আমরা তখন বেশ ভালোই আছি। তোমাদের আকাশে যখন নিক্ষিপ্ত বোমার আলো জ্বলে উঠছে, আমাদের এখানে তখন শপিং সেন্টারগুলোর চোখ ঝলসানো আলো ঝলমল করছে। আমরা বেশ ভালো আছি, ব্যস্ত আছি। আমরা লজ্জিত! এখন তোমাদের ব্যাপারে ভাবার সময় নেই। গাজা! তোমাদের জন্য এসব আর নতুন কী! তোমরা তো এমন বোমা দেখেই বড় হয়েছ, বারুদের গন্ধ তো তোমাদের পরিচিতই। রক্ত আর লাশ তো তোমাদের অপরিচিত নয়! এ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন তো তোমরা হরহামেশাই শোনো! হাসপাতালের বিছানা তো তোমাদের ঘরের বিছানার চেয়েও বেশি চেনা। জানাযা তো তোমাদের ওয়াক্তিয়া নামায। কান্না তো তোমাদের নিত্য দিনের কথা। তোমরা তো এগুলো জানই। আমরা এগুলো ভাবতে পারছি না, আমরা লজ্জিত! গাজা! আমাদের ক্ষমা করো। আমরা চেষ্টা করছি কিছু সময় বের করে অন্তত কিছু দোয়া পাঠাতে। তাও যদি সময় হয়, যদি শপিংটা এর মধ্যে শেষ হয়। হুজুর বললেন, লাইলাতুল ক্বাদর শেষ দশের যে কোনো রাত্রিতে হতে পারে, কী সমস্যা! সাতাশের রাতটায় ভেবেছিলাম দোয়া করব! আচ্ছা দেখা যাক! আমাদের ক্ষমা করো, আমরা লজ্জিত! Share this:TweetMorePocketShare on...