Juma Bayan | Ramadan & Al-Qur’an | রমজান ও আল কুর’আন
বিবরণ : আল-কুরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। লাইলাতুল কাদর এ অবতীর্ণ হওয়ায় এ রাত হাজার মাস থেকেও উত্তম। আর এই রাত যেহেতু রমজান মাস, তাই রমজান মাস সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। এ মাস আসলে তাই রাসূল স., সাহাবাগণ, ফকীহ ও মুহাদ্দিসগণ সবাই কুরআন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। কেউ কুরআন তেলাওয়াতে, কেউ কুরআন শিক্ষায়, কেউ কুরআন শেখানোয় ব্যস্ত থাকতেন। তাই আমাদেরও উচিৎ রমজান মাস আসলে আল-কুরআন নিয়ে নতুন করে ভাবা।
তারিখ: ২৩ জুলাই, ২০১০।
স্থান: বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ, মালিবাগ রেইলগেট, ঢাকা।
Read Moreধুলিঝড়, ভূমিধ্বস, অগ্নিকান্ড – প্রকৃতির নিষ্ঠুর আচরণ নাকি স্রষ্টার অসন্তোষ!
একের পর এক দু:সংবাদ আমাদের জাতীয় দৈনিকগুলোতে শিরোনাম হচ্ছে। অবশ্য সেসব আমাদের সয়ে গেছে। চোখের অশ্রু শুকিয়ে গেছে। আমরা এখন আর কাঁদতে পারি না। কত আর কাঁদব আমরা! ঝড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কেউ মরছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে উড়িয়ে দিচ্ছি। বিল্ডিং ধ্বসে পড়ছে, রাজউককে ভালমন্দ বলে শেষ করছি। মেধাবী ছাত্র বাসের আঘাতে প্রাণ হারাচ্ছে, গাড়ি ভাঙ্চুর করে আর মানববন্ধন করে ক্ষান্ত দিচ্ছি। ইভটিজিংয়ের বলি হচ্ছে অসহায় নারী, সেমিনার আর পুলিশের অভিযানে সীমাবদ্ধ থাকছি। অগ্নিকান্ডে পুড়ে মানুষ মরছে, কেমিক্যালকে দোষ দিয়ে তদন্ত শেষ করছি।
আমাদের তদন্তে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসে। তবে একটি তথ্য অবহেলিত থাকে সবসময়। অথচ সে তথ্যটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
হ্যাঁ, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এই যে, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। তাই ইতিহাস যে তথ্যটি আমাদের শেখায়, ইতিহাসের শিক্ষা নিয়েই সে তথ্যটিকে আমরা অবহেলা করি সবসময়। কিন্তু কী সেই তথ্য? কেন তা এত অবহেলিত?
সে তথ্য হলো,
Read Moreমা – কুরআন ও হাদীসে যেমন..
আমাদের সবার সবচেয়ে প্রিয় শব্দ ‘মা’। সাময়িক মোহ বা অন্য কিছু হয়ত এ শব্দটির চেয়েও অন্য কোনো শব্দকে খানিকটা প্রিয় করে তোলে, কিন্তু অচিরেই তা বড় ‘ভুল’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। মা, মা, এবং মা। প্রিয় শব্দ একটিই, এবং একটিই।
শুধু প্রিয় শব্দই নয়, প্রিয় বচন -মা। প্রিয় অনুভূতি -মা। প্রিয় রান্না -মা। প্রিয় আদর -মা। সব ‘প্রিয়’ গুলোই মা; মাকে কেন্দ্র করেই সব প্রিয় স্মৃতি।
আমার মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা। এ দাবী সবাই করে। কিন্তু আমি একটু জোর দিয়েই দাবীটা করি। কীভাবে? ধরুন, আমার একটু মন খারাপ, আম্মু স্বপ্নে দেখবেন আমি কাঁদছি। ফোন দিবেন সঙ্গে সঙ্গে। আমার জ্বর, স্বপ্নে দেখবেন আমি কাঁতরাচ্ছি। সাথে সাথে ফোন। আমার কোনো সাফল্য? তিনি আগেই তা জেনে যাবেন। আমার কিছু খেতে মন চাইছে, ফোন দিয়ে জানবেন, আজ কী বাজার করেছি।
মাকে নিয়ে ইসলাম যত কথা বলেছে, অন্য কোনো ধর্ম তত কথা বলেছে কিনা জানি না। তবে যতদূর পড়েছি, বলেনি বলেই জানি। মাকে নিয়ে বলতে বলতে শেষ পর্যন্ত মাকেই জান্নাত, মাকেই জাহান্নাম বলে বসেছে ইসলাম। মাকে খুশি করলে জান্নাত, কষ্ট দিলে জাহান্নাম। এত সম্মান যে মানুষের, সে মানুষের প্রতি আমাদের কত না অবহেলা!
Read MoreZekr : শক্তিশালী কুরআন সফটওয়্যার ও তার বাংলা এক্সটেনশন : ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি
মাকতাবা শামেলার কল্যানে আরবি তাফসির, হাদিস, ফিকহ, সিরাত, ইতিহাস, জীবনী ইত্যাদি গ্রন্থাদি মাউসের ক্লিকের সাথেই এক্সেস করা যাচ্ছে। খোঁজা যাচ্ছে সব গ্রন্থে একসঙ্গে, কিংবা, পৃথক ভাবে। চল্লিশ, পঞ্চাশ খন্ড সম্বলিত কিতাবের পৃষ্ঠা খুঁজে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল বের করে আনা এখন মুহূর্তের ব্যাপার।
বাংলায় এরকম কিছু আশা করছিলাম অনেক দিন ধরেই। অন্তত, কুরআন শরীফের শুধু অনুবাদটা যদি এভাবে পাওয়া যেত! যদি তাতে বাংলা লিখে সার্চ করে আরবী আয়াত সহ পেয়ে যেতাম, আবার আরবি লিখে সার্চ করে বাংলা অনুবাদ সহ পেয়ে যেতাম! সে আশাই করতাম এত দিন।
এর মধ্যে যে একটি সফটওয়্যারও সে রকম সুবিধা দিতে পারে নি, তা কিন্তু বলছি না। বছর পাঁচেক আগে জাকারিয়া ভাইয়ার মা‘আরেফুল কুরআন সফটওয়্যারটি সর্বপ্রথম সে সুবিধা নিয়ে এসেছিল। তখন ছিলাম আবুধাবীতে। যতদূর মনে পড়ে, জাকারিয়া ভাইয়ার সফটওয়্যারটির উদ্বোধন আবুধাবীতেই হয়েছিল। বিভিন্ন তাফসীর মাহফিল, ইফতার পার্টি ও বাঙালীদের সমাবেশে তার সফটওয়্যারটির সিডি পাওয়া যেত। আমার কপিটি জাকারিয়া ভাইয়ার পক্ষ থেকে ‘হাদিয়া’ ছিল।
সে সময় খুব খুশি হয়েছিলাম আমি। সফটওয়্যারটি দিয়ে বাংলা বিজয় অক্ষরে লিখে সার্চ করা যেত কুরআনের বাংলা অনুবাদে। যেমন, ‘নামায’ লিখে সার্চ করলে কুরআন শরিফের অনুবাদে কত জায়গায় ‘নামায’ শব্দটি আছে, কোন কোন সুরায় আছে, তা জানিয়ে দিত সফটওয়্যারটি। আর সিডি ঢুকিয়ে চালালে আরবি আয়াতটাও জানা যেত, তবে তা ছিল ইমেজ ফরম্যাটে। যার কারণে আরবি লিখে সার্চ করার কোনো অপশন ছিল না তাতে।
Read Moreঈসালে সওয়াব ও কুরআন খতম করানো
প্রশ্ন: অনেকদিন ধরেই একটা ব্যাপার নিয়ে মনে সংশয় ছিল। আর তা হল কো ব্যক্তি মারা যাবার পরে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে অর্থ বা খাদ্যদ্রব্য বা অন্য কোন কিছুর বিনিময়ে যে কোরআন খতম করানোর নিয়ম আমাদের সমাজে চালু আছে আল্লাহর নিকট তার গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে। কারণ এ কথা আগেই শুনেছি যে অর্থের বিনিময়ে কোরআন খতম দেয়া ঠিক নয়। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।
উত্তর:
ঈসালে সওয়াবের অনেকগুলো পদ্ধতির একটি হলো, কুরআন পড়া-খতম করা। উত্তম হলো নিজেরা খতম করা, কারণ এতে ইখলাস, নিঃসার্থ দোয়া বেশি থাকে। কোনো দিবস-তারিখ ঠিক না করা -এটাও মনে রাখা উচিৎ।অনেকজন মৌলভী ডেকে অনেকগুলো খতম করার চেয়ে নিজেরা একটা খতম করলে সওয়াব বেশি হবে। আল্লাহর কাছে ‘কোয়ানটিটি’ বড় নয়, ‘কোয়ালিটি’ বড়।
Read More২:৫৩ আয়াতে ফুরকান বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন: সূরা বাক্বারা:৫৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, আর যখন আমি মূসাকে কিতাব ও ‘ফুরকান’ দান করেছিলাম যাতে তোমরা সরল পথ প্রাপ্ত হও !
এখানে কিতাব ও ফুরকান বলতে কি আলাদা দুটো কিছু বোঝানো হয়েছে নাকি কিতাবের গুনবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে!
Read More
Recent Comments