একটি হাদীসের ব্যাখ্যা | রাসূল স. কি অল্প বয়স্কা কুমারী মেয়েকে বিবাহ করতে উৎসাহিত করেছেন?

ঈদের ছুটি শেষে ব্লগীয় জীবনে ব্লগাররা সবে মাত্র ফিরতে শুরু করেছেন, আর এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে একের পর এক ধর্মকেন্দ্রিক তর্কাতর্কি। বিশেষ করে আজ সকাল থেকে যা হচ্ছে, তা মাত্রাতিরিক্ত। | লিংক:১ | লিংক:২ | আমি এ ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো উত্তর না দেওয়ার চেষ্টা করি। কারণ, যে প্রশ্ন/ মন্তব্যগুলো এখানে করা হয়, সেগুলো খুবই সিম্পল; ইচ্ছা থাকলে গুগল ভাইয়ার কাছ থেকেই সেগুলোর উত্তর পাওয়া সম্ভব। কিন্তু দেখি, বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নতুন ব্লগারদের কাছে নতুন মোড়কে সেগুলো উপস্থাপন করতে ‘তারা’ খুবই তৎপর।

এর আগে একটা পোষ্ট দেখলাম এক সপ্তাহ পর। ইসলাম নাকি পতিতাবৃত্তি সমর্থন করে –এরকম কিছু একটা ছিল তাতে। ঐ পোষ্টে বুখারী শরীফের একটা হাদীসে ইবনে আব্বাস রা: এর মতামত বর্ণনা করা হয়েছিল। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, ইবনে আব্বাস রা: এর মতামত নিয়ে আরো অনেক হাদীস অন্যান্য হাদীস-গ্রন্থে ছড়িয়ে আছে, যাতে ঠিক উল্টো বক্তব্য আছে। যেগুলো পোষ্টদাতার নজরে হয়ত আসেনি, কিংবা, তিনি নজরে আনতে চান নি, ইচ্ছাকৃতভাবে।

ব্যাপারগুলো অনেকটা এরকম। দেয়ালে লেখা হল, “এখানে প্রশ্রাব করিবেন না। করিলে একশ টাকা জরিমানা”। তো, কেউ একজন দাঁড়িটাকে আগে টেনে এভাবে লিখল, “এখানে প্রশ্রাব করিবেন। না করিলে একশ টাকা জরিমানা”।

এভাবে কমা-দাঁড়ি এদিক-সেদিক করে, শব্দের ওলট-পালট অনুবাদ করে ‘তারা’ কেন জানি একটা হইচই ফেলে দিতে চান সবার মাঝে। ব্লগকে প্রাণবন্ত (!) রাখারও একটা কৌশল হতে পারে এটা, আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন।

যা হোক, আজকে পাশা ভাইয়ের পোষ্টে একটা হাদীসের ব্যাখ্যা চেয়েছেন একজন ব্লগার। তার বক্তব্য উল্লেখপূর্বক হাদীসটির ব্যাখ্যা পেশ করছি।

তিনি বলেছেন, ২০০৯/০৯/২৩ ১৪:৩৮:৩২

“নিচের এই হাদিস টিকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

হজরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) ভাষায় : “এক অভিযানে আমরা আল্লাহর রসুলের (দঃ) সঙ্গে ছিলাম। তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার পথে যখন মদিনার নিকটবর্তী হলাম, আমার অলস উটটাকে আর কোনো মতেই চালাতে পারি না। একজন লোক এসে আমার উটের পশ্চাতে একটি খোঁচা দিলো, অমনি সে তড়িৎ বেগে ছুটে চললো। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখি, আল্লাহর রসুল মুহাম্মদ (দঃ)। নবীজি আমায় দেখে জিজ্ঞেস করেন, জাবির এতো তাড়া কিসের? আমি বললাম, আল্লাহর রসুল (দঃ), ঘরে আমার নতুন বৌ রেখে এসেছি। রসুল (দঃ) জিজ্ঞেস করেন, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী, না বিবাহিতা? আমি বললাম, জ্বী না, কুমারী নয়। তিনি বললেন, ‘অল্প বয়সের কুমারী বিয়ে করলে না কেন? তাহলে তো তুমি তার সাথে খেলতে পারতে, আর সেও তোমার সাথে খেলতো।’ যখন আমরা উটে চড়ে মদিনায় প্রবেশ করবো, রসুল (দঃ) বললেন, সন্ধ্যা-রাতে ঘরে ঢুকার পূর্বে একটু থামো, যাতে মহিলা, যার মাথার চুল অগোছালো সে তা চিরুনি দিয়ে গোছিয়ে নিতে পারে, আর যে মহিলার স্বামী কিছুদিন দূরে ছিল সে মহিলা তার গোপনাঙ্গের লোম কামিয়ে নিতে পারে।” (দ্রষ্টব্য : বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ১৭৪)।

এখানে- “তিনি বললেন, ‘অল্প বয়সের কুমারী বিয়ে করলে না কেন? তাহলে তো তুমি তার সাথে খেলতে পারতে, আর সেও তোমার সাথে খেলতো।'”
এর ব্যাখ্যা কি?”

উত্তর:

বুখারী শরীফে এ হাদীসটি সাত রকম শব্দে মোট নয় বার বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে শব্দভেদে প্রতিটি হাদীস থেকে আপনার চয়নকৃত অংশটুকু (অল্প বয়সের কুমারী বিয়ে করলে না কেন?) হাদীস নম্বরসহ উল্লেখ করা হল।

১. أفلا جارية تلاعبها وتلاعبك -১৯৯১
২. فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك- -২১৮৫, ৪৭৯১, ৪৯৪৭
৩. هلا جارية تلاعبها وتلاعبك -৪৭৯২
৪. هلا تزوجت بكرا تلاعبها وتلاعبك- ২৮০৫
৫. فهلا بكرا تلاعبها وتلاعبك -৪৯৪৯
৬. فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك تضاحكها وتضاحكك -৫০৫২
৭. هلا جارية تلاعبها وتلاعبك أو تضاحكها وتضاحكك – ৬০২৪

এ হাদীসে নবী স. প্রথমে জাবের রা: কে প্রশ্ন করেছেন, ‘তুমি বিবাহিতা না অবিবাহিতা (কুমারী) নারী বিবাহ করেছ? তিনি উত্তর দেন, “আমি বিবাহিতা নারী বিবাহ করেছি”। এর পরই নবী স. এই উক্তি করেন। আসুন, উক্তিটি পর্যালোচনা করি।

লক্ষ্য করুন, চার ও পাঁচ নং হাদীসে (বুখারী: হাদীস নং ৪৭৯২ ও ২৮০৫ -এ) নবী স. অবিবাহিতা নারী বুঝাতে আরবী بكر শব্দ ব্যবহার করেছেন। Adjective হিসেবে এর অর্থ হয় جديد -first, new (প্রথম, নতুন)। Noun হিসেবে অর্থ হয় اول مولود -firstborn (প্রথম জন্মেছে যা/যে)। ‘ভোর’-কে আরবীতে بكرة বলা হয়; কারণ তা প্রভাতের প্রথম অংশ; বা, নতুন সকাল।

কুমারী নারীকেও আরবীতে بكر বলা হয়। কেননা, এ নারীর বিবাহটাও নতুন/প্রথম বিবাহ। এর বিপরীতে বিবাহিতা নারীকে বলা হয় ثيب ।

নবী স. জাবের রা. কে যখন প্রশ্ন করেন, তখনও بكر ও ثيب শব্দ দুটি দিয়ে প্রশ্ন করেন। এরপর আলোচ্য উক্তি করার সময়ও একই শব্দ তথা بكر শব্দ ব্যবহার করেন। অতএব, প্রশ্নের অনুবাদ করতে গিয়ে যদি কেবল ‘কুমারী’ শব্দে অনুবাদ করা হয়, তাহলে ঐ উক্তিটি একই শব্দের অনুবাদ কী করে ‘অল্প বয়সের কুমারী’ হয়ে যায়?

১,২ ও ৩ নংয়ে বর্ণিত হয়েছে جارية শব্দটি। এর অর্থ তিনটা। ১. বাঁদী ২. যুবতী নারী/কুমারী নারী ৩. বালিকা

সাধারণত অল্প বয়স্ক মেয়েরাই কুমারী হয়ে থাকে বলে আরবরা কুমারী মেয়ের ক্ষেত্রে এই শব্দটা অহরহ প্রয়োগ করে থাকে। অতএব, এ শব্দ আর পূর্বোক্ত بكر শব্দ দ্বারা উদ্দেশ্য যে এক, তা আর কোনো বিবেকবানের কাছে অস্পষ্ট থাকার কথা নয়। অর্থাৎ, উভয়টিই শুধু‘কুমারী’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে; ‘অল্প বয়স্ক কুমারী’ অর্থে নয়।

তাছাড়া একই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কোনো সাহাবী বলছেন بكر, আবার কোনো সাহাবী বলছেন جارية। অতএব বুঝা গেল, উভয় শব্দের কোনো কমন অর্থ তারা প্রকাশ করতে চেয়েছেন। তাহলে দেখা যাক, উভয় শব্দে কমন কী অর্থ রয়েছে..

>> بكر শব্দটির অর্থ পূর্বে যেমনটি বলেছি: নতুন, প্রথম, অবিবাহিতা/কুমারী
>> আর جارية অর্থ: বাঁদী, বালিকা, অবিবাহিতা/কুমারী

উভয়টার কমন অর্থ: কুমারী/অবিবাহিতা নারী

অতএব উদ্দিষ্ট অর্থ এটিই।

কারণ, একই হাদীসে শব্দ ভিন্ন হয় সাধারণত অর্থ ঠিক রেখেই। একই বর্ণনা একেক জন বর্ণনাকারী একেক শব্দে বর্ণনা করেন। কিন্তু মূল অর্থ ঠিকই থাকে।

শেষকথা, হাদীসের শব্দের অর্থ কেবল “কুমারী” হবে; ‘অল্পবয়স্ক কুমারী হবে না’।

আমি এখানে কেবল বুখারী শরীফেরই অন্যান্য বর্ণনা দিয়ে তা প্রমাণ করলাম। কোনো ব্যাখ্যাতার ব্যাখ্যা এখানে বর্ণনা করিনি। নতুবা তারা তো جارية অর্থ সরাসরি ‘কুমারীই’ করেছেন।

এবার আসা যাক ‘تلاعبها’ শব্দটির আলোচনায়।
এ শব্দটির ক্রিয়া বিশেষণ হল ‘ملاعبة’। যার অর্থ: দুজনে খেলাধুলা করা। স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে তা ভালবাসা-প্রেম ইত্যাদি অর্থেও ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন, নবী স. এখানে খেলার প্রসঙ্গ তুললেন কেন?

নবী স. সবসময় তাঁর সাহাবীদেরকে স্ত্রীর অধিকার পূর্ণ রূপে আদায় করতে সচেতন করতেন। স্ত্রীদের সাথে সদাচরণ, তাদেরকে ভালবাসা দিয়ে সুন্দর জীবন যাপনের পরামর্শ দিতেন। স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে কীভাবে সুখ-শান্তি আসবে, টিকে থাকবে, তা নিয়ে বিষদ আলোচনা করতেন।

সাধারণত অবিবাহিতা নারীরা যেভাবে নতুন স্বামীকে, তার ঘরকে সহজে আপন করে নিতে পারে, তাকে ভালবাসতে পারে, বিবাহিতা নারীরা তা পারে না। এটা কমন সেন্সের ব্যাপার।

নবীজী স. সেদিকেই ইঙ্গিত করেন যে, যদি তুমি কুমারী নারী বিবাহ করতে, তাহলে তোমাদের ভালবাসা গভীর হত। একথাটি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি তুমি কুমারী নারী বিবাহ করতে, তাহলে তুমিও তার সাথে খেলতে পারতে, আর সেও তোমার সাথে খেলতে পারত’। (স্বামী-স্ত্রীর খেলাধুলা তাদের ভালবাসারই নামান্তর। সে জন্যই এখানে এ শব্দের প্রয়োগ তিনি করেছেন। এটা বরং তাঁর শালীনতার পরিচয় বহন করে, যে, তিনি এত সুন্দর ভাবে স্বামী স্ত্রীর মিলন, দুষ্টুমি, মান-অভিমান সবকিছুকে ‘খেলা করা’ শব্দে ফুটিয়ে তুলেছেন।)

এই হাদীসের অপর দুই বর্ণনায় (পূর্বে আমি ৬ ও ৭ নংয়ে উল্লেখ করেছি) আরো দুটি শব্দ আছে। যার অর্থ: “এবং তুমিও তার সাথে দুষ্টুমি-হাসাহাসি করতে পারতে, আর সেও তোমার সাথে দুষ্টুমি-হাসাহাসি করতে পারত”।

মোটকথা, হাসাহাসি-খেলাধুলার মাধ্যমে তোমাদের ভালবাসা বৃদ্ধি পেত। যা একজন বিবাহিতা নারীর ক্ষেত্রে ততটা সহজ নয়।

নবীজী স. এরঁ এই বাণীতে আশ্চর্যের কী হল যে এটার ব্যাখ্যা দিতে হবে? দাম্পত্য জীবনে সুখ কীভাবে হয় তা একজন মহামানব হিসেবে তিনি তাঁর ছাত্রদের/সঙ্গীদের শেখাতেই পারেন; এটা বরং তাঁর পূর্ণতা যে তিনি তার সঙ্গী-সাথীদেরকে ছোট খাটো বিষয়েও উত্তম আদর্শের শিক্ষা দিতেন।

প্রশ্ন থাকে, নবী স. কি তবে বিবাহিতা/বিধবা নারীদেরকে বিবাহ করতে নিষেধ করছেন? মোটেই না। নবী স. বিভিন্ন সময়ে বিধবা নারীদের বিবাহ করে তাদের দায়িত্ব নিয়ে তাঁর উম্মতকে সে শিক্ষাও দিয়েছেন। তাঁর পবিত্র জীবনী অধ্যয়ন করলে এসব প্রশ্ন আসার আগেই উত্তর পাওয়া যাবে।

এ হাদীসের শেষাংশেও নবী স. অপর একটি সুন্দর আদর্শ মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “সন্ধ্যা-রাতে ঘরে ঢুকার পূর্বে একটু থামো, যাতে মহিলা, যার মাথার চুল অগোছালো সে তা চিরুনি দিয়ে গোছিয়ে নিতে পারে, আর যে মহিলার স্বামী কিছুদিন দূরে ছিল সে মহিলা তার গোপনাঙ্গের লোম কামিয়ে নিতে পারে।”

এটুকু কথার মাধ্যমে তিনি অনেক বিষয় বুঝিয়ে দিয়েছেন। হুট করে নিজের বাড়িতে বা কারো বাড়িতে না গিয়ে, বরং, আগে ভাগে তাকে কোনো ভাবে খবর পাঠানো উচিৎ। যেন ঘরের মানুষ নিজেকে সে জন্য প্রস্তুত করে নিতে, নিজের প্রয়োজনীয় সাজ-সজ্জা সেরে নিতে পারে। স্ত্রীর অপরিচ্ছন্নতা অনেক সময় দাম্পত্য কলহের কারণ হয়ে থাকে, যা এ শিক্ষার পূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে নিরসন করা সম্ভব।

আবার পুরুষকেও তিনি এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, দূর সফর করে হুট করে ঘরে ঢুকে যেও না। কাছে মসজিদে গিয়ে অযূ করে নামায পড়ে নাও। এতে মন-মেজাজ ঠান্ডা হবে। দেখা যায়, অনেক জায়গায়ই বাইরে থেকে স্বামী ঘরে ঢুকলে মন মেজাজ গরম থাকে। ফলে এক কথায় দু কথায় ব্যপারটা তালাক পর্যন্ত গড়ায়। অপর দিকে যদি স্বামীর মন মেজার সুস্থির থাকত, তাহলে কখনো এরকম কিছু ঘটত না।

শেষ কথা, নবীজীর স. জীবনের প্রতিটা কথা, কাজই আদর্শ। যারা অন্তর থাকতেও তা উপলব্ধি করতে পারে না, কান থাকতেও তা শুনতে পারে না, আর চোখ থাকতেও তা দেখতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের এ আয়াতটি ছাড়া আর কি-ই-বা আমাদের বলার আছে!?

صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَرْجِعُونَ
“তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না”। (সূরা বাক্বারা:১৮)

—————————————-
আমি এখানে কেবল একটি হাদীসের ব্যখ্যা দিলাম। আসলে, ‘তাদের’ সব রেফারেন্সই এরকম। কাজেই সরলমনা মুসলমানদের এতে ভীত/সংশয়বাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই।

আর একটা অনুরোধ। অবসর সময়ে আল্লাহকে নিয়ে ভাবুন, আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে ভাবুন। নিজেকে নিয়ে ভাবুন, নিজের অস্তিত্ব ও নিজের উপর আল্লাহ অসীম রহমত ও নিয়ামতের কথা স্মরণ করুন।

নবী স. বলেন, ক্বিয়ামতের ভয়াবহ দিনে আল্লাহ তায়ালা সাত ধরনের ব্যক্তিকে তারঁ আরশের ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন। তাদের মধ্যে এক শ্রেণীর ব্যক্তি হলেন তারা, যারা নিভৃতে আল্লাহকে স্মরণ করে, আর অজান্তেই চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। (বুখারী:৬২৯)

আল্লাহ আমাদের সে সৌভাগ্য অর্জনের তাওফীক দিন। আমীন।